এ কান্নার জবাব কী? বিস্তারিত পড়লে আপনার চোখেও পানি চলে আসবে

‘ওরে বুকে নিয়া আমি হাসপাতাল থেকে বাইর হইছিলাম। আজ ওর এ কী চেহারা দেখলাম! কেন আল্লাহ আমারে এটা দেখাইলো!’ বলে কাঁদতে কাঁদতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গের লাশঘর থেকে বের হলেন ইতি ও রিতা। ইতি রিশার বড় মামি ও রিতা মেঝো মামি।

কাঁদতে কাঁদতে ইতি বলেন, ‘আমার বিয়ের দুই বছর পর ওর (রিশা) জন্ম। ওরে আমি কোলের ভেতর নিয়া হাসপাতাল থেকে বের হইছিলাম। সেই রিশার আজ কী চেহারা দেখাইলো খোদা!’

বুধবার (২৪ আগস্ট) বেলা পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর কাকরাইলে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা (১৫) দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়। এরপর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (২৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টায় মারা যায় রিশা।

করছি। কিন্তু আমি মামি হয়ে বলছি, রিশার মতো কোনও মেয়ে হয় না। আমার সন্তানরাও হবে না ওর মতো। এমন মেয়ে মরে গেল। মেরে ফেললো একটা বখাটে! এর কি কোনও বিচার হবে না! আমরা কি রিশা হত্যার বিচার পাবো না’ বলেই কাঁদতে থাকেন ইতি।

পাশে বসা মেঝো মামি রিতা বলেন, ‘রিশা খুবই মিশুক ছিল। ছোটকাল থেকে বড় করলাম। আর এখন এই অবস্থা! পরিবারের সবার বড়, অনেক আদরের মেয়ে ছিল রিশা!’

(Visited 1 times, 1 visits today)

Comments

comments