আপনার বোনের সাথে এমন হলে চুপ থাকতে পারতেন?

মেয়েটা পড়তো ক্লাস ৮ এ। একবার সে ওর মায়ের সাথে দর্জির কাছে যায় ড্রেস দেওয়ার জন্য আর তখন ওর মা এর ফোন নাম্বার দিয়ে আসে। এরপর থেকেই ওই দোকানের এক কর্মচারী ওর মায়ের ফোনে কল দিয়ে অনেক বিরক্ত করত। পরে ওরা ফোন নাম্বার চেঞ্জ করে আর ওই টেইলার্স এ অভিযোগ দেয়; যার ফলে লোকটার চাকরি চলে যায়। তারপর থেকে লোকটা প্রায়ই স্কুলের সামনে এসে রিশাকে বিরক্ত করত।

screenshot_12-1এই সেই ঘাতক ওবায়দুল

গত বুধবার স্কুল ছুটির পর রিশা ওভারব্রিজ পার করছিল, ওই সময়ই লোকটা ওকে ছুড়ি মেরে দৌড়ে পালিয়ে যায়। মেয়েটার পেটের বাম সাইড এবং বাম হাত মারাত্মক ভাবে জখম হয়। এরপরে ওকে ডিএমসি তে নেয়া হয়। প্রায় ২ দিন আইসিইউ তে থাকার পর আজকে ও মারা যায়। ওর অনেক ব্লিডিং হয়েছিল,২৫ ব্যাগের মত ব্লাড ও দেয়া হয়েছিল বাট শেষ রক্ষা হল নাহ। আমরা এই Facebook থেকে অনেক কিছুই করেছি। আমরা যেমন হাতিপুকে মডেল আর আলমকে আজ হিরো বানিয়েছি ঠিক তেমনি জুনায়েদকে ধরিয়ে দিয়েছি পুলিশের কাছে। গুলশান ট্রাজেডির অনেক গোপন বিষয় পাবলিক হয়েছে এই Facebook এর কল্যাণেই। এখন আবার সময় এমন একটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার। ফেসবুক এর শক্তি সবাইকে দেখিয়ে দেয়ার। রিশাকে নিয়ে Facebook এবার দেশ কাপিয়ে দেবে, বিচার হবে অপরাধীর এমন একটা কিছু দেখার অপেক্ষায় রইলাম…

screenshot_13-300x211

(Visited 1 times, 1 visits today)

Comments

comments