যে ১০ টি কারণে আপনি সফল ও সুখী হতে পারছেন না

জীবনে সফল হতে আমরা সবাই চাই, কিন্তু সবাই কি সুখী ও সফল হতে পারি? অনেক সময়ে নিজের সফলতা ও সুখের পথে আমরা নিজেরাই বাধা হয়ে দাঁড়াই। নিজের অজান্তেই এমন কিছু কাজ আমরা করে থাকি যা আমাদেরকে সুখী হতে দেয় না। নিত্যদিনের এসব ছোট ছোট কাজ বন্ধ করাটা খুব জরুরী আমাদের জন্য। আসুন দেখে নেই আমরা কী কী ভুল করার মাধ্যমে নিজেরাই নিজেদের সুখী ও সফল হতে দেই না।
১) অন্যদের মতামতের ওপরে বেশি গুরুত্ব দেওয়া অন্যরা আপনার ব্যাপারে কি মত পোষণ করে, তারা আপনাকে নিয়ে কি ভাবে, তাতে বেশি গুরুত্ব দেবার ফলে আপনি নিজেই নিজেকে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন করে তুলছেন, দূরে থেকে দিচ্ছে নিজের আনন্দ। অন্যদের মতামত নিয়ে চিন্তা করবেন না। আপনি নিজেকে নিয়ে কি চিন্তা করছেন, নিজেকে কতটা মুল্য দিচ্ছেন সেটাই সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
২) নিজেকে যথেষ্ট মুল্য না দেওয়া অনেকেই মনে করে থাকেন তাদের সব গুরুত্ব তাদের পেশাগত বা শিক্ষাগত সাফল্যের ওপরে নির্ভর করছে। তারা ভাবেন, তাদের পেশাগত স্ট্যাটাস অথবা শিক্ষাগত যোগ্যতাটাই তাদের পরিচয়। অনেক নারীরা মনে করেন, স্বামীর পরিচয়টাই তাদের পরিচয়তাই তাদের পরিচয়। কিন্তু তা কি আসলে সত্যি? আপনি স্বতন্ত্র একজন মানুষ। শিক্ষা এবং পেশা ছাড়াও আপনি অন্যদের চাইতে আলাদা। নিজের সেই স্বত্বাকে যথেষ্ট মুল্য দেই না আমরা, আর নিজের অজান্তেই হয়ে পড়ি অসুখী।
৩) নিজের দোষ-ত্রুটি নিয়ে অভিযোগ করা একজন মানুষের দোষ-ত্রুটি থাকবে অবশ্যই। কিন্তু তা নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করা এবং তা নিয়ে অন্যের কাছে অভিযোগ করাটা মোটেই আপনার নিজের জন্য ভালো নয়। তা শুধুই নিজের মাঝে অসন্তোষ বাড়িয়ে তোলে। আপনি যেমন আছেন, তেমনটাই নিখুঁত- এভাবে ভাবতে শিখুন।
৪) খুব সহজেই নিজের স্বপ্ন ভেঙে ফেলা অনেকেই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখেন এবং যখন দেখেন তা বাস্তব হচ্ছে না, সেই স্বপ্নকে ভেঙে ফেলেন। বেশিরভাগ মানুষই যথেষ্ট পরিশ্রম করেন না নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নে। অনেকের ভাগ্য সহজ হয় না। কিন্তু কারণ যেটাই হোক, নিজের স্বপ্নকে এভাবে মেরে ফেলবেন না। আরও সময় দিন তাকে। কারণ আপনার স্বপ্নের মাঝেই লুখিয়ে আছে আপনার সুখ।
৫) ফলাফলের চাইতে কারণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া আপনি একটি কাজ করে সফল হলেন নাকি ব্যর্থ হলেন সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিফল হলে অনেকেই কেন বিফল হলেন, তা নিয়ে ভেবে সময় নষ্ট করেন এবং নিজেকে অসুখী করে তোলেন। এই কাজটি করবেন না। জীবনের ভালো সময়গুলোকে মুল্য দিন। খারাপ সময়টাকে কাটিয়ে উঠুন।
৬) বেশি পরিশ্রম করা জীবনে সাফল্য আনার জন্য অনেকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করেন। কিন্তু সাফল্যই সব নয়। নিজেকে সুখী হবার জন্য সময় দিন। দেখবেন নিজের সুখি মনোভাবের ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে আপনার কাজের ওপরেও।
৭) অন্যদের সাথে নিজের তুলনা করা তুলনা করার ব্যাপারটা অনেককেই অসুখী করে তোলে। এটা মনে রাখবে যে আপনি একেবারেই অতুলনীয়। আপনার মতো আর কেউ নেই এই পৃথিবীতে। তাহলে কেন অন্যের সাথে নিজের তুলনা করবেন?
৮) অন্যদের সাফল্যকে নিজের আদর্শ হিসেবে ধরা পরিচিত মানুষটি প্রোমোশন পেয়েছে, তাই আপনারও পেতে হবে। অমুক ভালো রেজাল্ট করেছে, আপনারও ঠিক সেই রেজাল্ট করতে হবে। এমন চিন্তার ফলে আমরা অসুখী হয়ে পড়ি। আমরা নিজেদের যথেষ্ট মুল্য দেই না, এটা ভাবি না যে চেষ্টা করলে অন্যদের চাইতে অনেক ভালো করতে পারব আমরা। তাই অন্যের সাফল্যের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। আপনার লক্ষ্য হোক অসীম।
৯) শরীরের নাম মহাশয় নয় শরীর ভালো থাকলে মনটাও ভালো থাকবে। কিন্তু আমরা শরীরকে অনেকটাই অবহেলা করি। শরীর আপনাকে কি বলতে চাইছে তা শুনুন। শরীরের চাহিদা পূরণ করুন। শরীর কষ্টে থাকলে মনটাও কষ্টে থাকবে।
১০) অল্পতেই সন্তুষ্ট হওয়া আমরা চেষ্টা করলে অনেক কিছু পেতে পারি। কিন্তু আমরা নিজেদের দোষেই সেটা হারাই কারণ আমরা অল্পেই সন্তুষ্ট হয়ে চেষ্টা করা বন্ধ করে দেই। কারণ যাই হোক, নিজের প্রাপ্য বুঝে নেওয়া থেকে কেউ যেন আপনাকে বঞ্চিত করতে না পারে। নিজের সাফল্যের ফল ভগ করুন। অল্পে সন্তুস্ত হবার অভ্যাস ঝেড়ে ফেলুন।যে ১০ টি কারণে আপনি সফল ও সুখী হতে পারছেন না

লাইফস্টাইল ডেস্ক : জীবনে সফল হতে আমরা সবাই চাই, কিন্তু সবাই কি সুখী ও সফল হতে পারি? অনেক সময়ে নিজের সফলতা ও সুখের পথে আমরা নিজেরাই বাধা হয়ে দাঁড়াই। নিজের অজান্তেই এমন কিছু কাজ আমরা করে থাকি যা আমাদেরকে সুখী হতে দেয় না। নিত্যদিনের এসব ছোট ছোট কাজ বন্ধ করাটা খুব জরুরী আমাদের জন্য। আসুন দেখে নেই আমরা কী কী ভুল করার মাধ্যমে নিজেরাই নিজেদের সুখী ও সফল হতে দেই না।
১) অন্যদের মতামতের ওপরে বেশি গুরুত্ব দেওয়া অন্যরা আপনার ব্যাপারে কি মত পোষণ করে, তারা আপনাকে নিয়ে কি ভাবে, তাতে বেশি গুরুত্ব দেবার ফলে আপনি নিজেই নিজেকে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন করে তুলছেন, দূরে থেকে দিচ্ছে নিজের আনন্দ। অন্যদের মতামত নিয়ে চিন্তা করবেন না। আপনি নিজেকে নিয়ে কি চিন্তা করছেন, নিজেকে কতটা মুল্য দিচ্ছেন সেটাই সবচাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
২) নিজেকে যথেষ্ট মুল্য না দেওয়া অনেকেই মনে করে থাকেন তাদের সব গুরুত্ব তাদের পেশাগত বা শিক্ষাগত সাফল্যের ওপরে নির্ভর করছে। তারা ভাবেন, তাদের পেশাগত স্ট্যাটাস অথবা শিক্ষাগত যোগ্যতাটাই তাদের পরিচয়। অনেক নারীরা মনে করেন, স্বামীর পরিচয়টাই তাদের পরিচয়তাই তাদের পরিচয়। কিন্তু তা কি আসলে সত্যি? আপনি স্বতন্ত্র একজন মানুষ। শিক্ষা এবং পেশা ছাড়াও আপনি অন্যদের চাইতে আলাদা। নিজের সেই স্বত্বাকে যথেষ্ট মুল্য দেই না আমরা, আর নিজের অজান্তেই হয়ে পড়ি অসুখী।
৩) নিজের দোষ-ত্রুটি নিয়ে অভিযোগ করা একজন মানুষের দোষ-ত্রুটি থাকবে অবশ্যই। কিন্তু তা নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করা এবং তা নিয়ে অন্যের কাছে অভিযোগ করাটা মোটেই আপনার নিজের জন্য ভালো নয়। তা শুধুই নিজের মাঝে অসন্তোষ বাড়িয়ে তোলে। আপনি যেমন আছেন, তেমনটাই নিখুঁত- এভাবে ভাবতে শিখুন।
৪) খুব সহজেই নিজের স্বপ্ন ভেঙে ফেলা অনেকেই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখেন এবং যখন দেখেন তা বাস্তব হচ্ছে না, সেই স্বপ্নকে ভেঙে ফেলেন। বেশিরভাগ মানুষই যথেষ্ট পরিশ্রম করেন না নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নে। অনেকের ভাগ্য সহজ হয় না। কিন্তু কারণ যেটাই হোক, নিজের স্বপ্নকে এভাবে মেরে ফেলবেন না। আরও সময় দিন তাকে। কারণ আপনার স্বপ্নের মাঝেই লুখিয়ে আছে আপনার সুখ।
৫) ফলাফলের চাইতে কারণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া আপনি একটি কাজ করে সফল হলেন নাকি ব্যর্থ হলেন সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বিফল হলে অনেকেই কেন বিফল হলেন, তা নিয়ে ভেবে সময় নষ্ট করেন এবং নিজেকে অসুখী করে তোলেন। এই কাজটি করবেন না। জীবনের ভালো সময়গুলোকে মুল্য দিন। খারাপ সময়টাকে কাটিয়ে উঠুন।
৬) বেশি পরিশ্রম করা জীবনে সাফল্য আনার জন্য অনেকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করেন। কিন্তু সাফল্যই সব নয়। নিজেকে সুখী হবার জন্য সময় দিন। দেখবেন নিজের সুখি মনোভাবের ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে আপনার কাজের ওপরেও।
৭) অন্যদের সাথে নিজের তুলনা করা তুলনা করার ব্যাপারটা অনেককেই অসুখী করে তোলে। এটা মনে রাখবে যে আপনি একেবারেই অতুলনীয়। আপনার মতো আর কেউ নেই এই পৃথিবীতে। তাহলে কেন অন্যের সাথে নিজের তুলনা করবেন?
৮) অন্যদের সাফল্যকে নিজের আদর্শ হিসেবে ধরা পরিচিত মানুষটি প্রোমোশন পেয়েছে, তাই আপনারও পেতে হবে। অমুক ভালো রেজাল্ট করেছে, আপনারও ঠিক সেই রেজাল্ট করতে হবে। এমন চিন্তার ফলে আমরা অসুখী হয়ে পড়ি। আমরা নিজেদের যথেষ্ট মুল্য দেই না, এটা ভাবি না যে চেষ্টা করলে অন্যদের চাইতে অনেক ভালো করতে পারব আমরা। তাই অন্যের সাফল্যের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। আপনার লক্ষ্য হোক অসীম।
৯) শরীরের নাম মহাশয় নয় শরীর ভালো থাকলে মনটাও ভালো থাকবে। কিন্তু আমরা শরীরকে অনেকটাই অবহেলা করি। শরীর আপনাকে কি বলতে চাইছে তা শুনুন। শরীরের চাহিদা পূরণ করুন। শরীর কষ্টে থাকলে মনটাও কষ্টে থাকবে।
১০) অল্পতেই সন্তুষ্ট হওয়া আমরা চেষ্টা করলে অনেক কিছু পেতে পারি। কিন্তু আমরা নিজেদের দোষেই সেটা হারাই কারণ আমরা অল্পেই সন্তুষ্ট হয়ে চেষ্টা করা বন্ধ করে দেই। কারণ যাই হোক, নিজের প্রাপ্য বুঝে নেওয়া থেকে কেউ যেন আপনাকে বঞ্চিত করতে না পারে। নিজের সাফল্যের ফল ভগ করুন। অল্পে সন্তুস্ত হবার অভ্যাস ঝেড়ে ফেলুন।

(Visited 1 times, 1 visits today)

Comments

comments